Bangladesh Telegraph
সর্বশেষ: বহদ্দারহাটে চসিকের উচ্ছেদ অভিযান, ২ শতাধিক অবৈধ দোকান অপসারণ বিদ্যুৎ সংকটে আশার আলো কাপ্তাই: পুরোদমে সচল ৫টি ইউনিট, মিলছে ২২২ মেগাওয়াট যারা পাবেন না ফেমিলি কার্ড: সরকারি নীতিমালা ও নির্ধারিত শর্তাবলি ভালোবাসার দাম এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় এক প্রবাসীর নিঃশব্দ কান্না পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তাহীনতা ও চাঁদাবাজির দৌরাত্ম্য: পারকি সমুদ্র সৈকতে পর্যটক হয়রানির চিত্র চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন মাস্টারপ্ল্যান: সিডিএর নতুন সীমানায় রাউজান চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুর: ‘রাজত্বের হাতবদল’ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির নতুন চ্যালেঞ্জ বুদ্ধের শিক্ষা ছিল—অলৌকিক শক্তির ওপর নয়, নিজের জ্ঞান ও কর্মের ওপর বিশ্বাস দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি: ডাঃ জোবায়দা রহমান চট্টগ্রাম পরিণত হলো আস্ত এক অস্ত্রের কারখানায়! মালয়েশিয়ায় ‘অপস সাসার’ অভিযানে ২৪৫ বাংলাদেশিসহ ৫২৮ অভিবাসী আটক চমেক হাসপাতালে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ: ওয়ার্ডে বইবে ফুলের সুবাতাস, নেতৃত্বে কায়সার আলী চৌধুরী মায়ের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে ঘুষের দাবি, ১৭ বছরের শাহেদ বানালো ‘ঘুষ ডট সাইট’ ৭৫ কোটি টাকার ভবন নির্মাণে জালিয়াতি: জি কে শামীমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নেপালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে কে-পপ তারকা লি নো: ১০০ মিলিয়ন ওন অনুদান আলহাজ্ব জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশনের উপহার: চুয়েট পরিবহন বহরে নতুন বাস নেপালের বন্যায় অলৌকিকভাবে রক্ষা পেলেন তারা বিশ্বসেরা মার্তিনেজকে দলে টানলো চেলসি প্রকৃতির রোষাণলে নেপাল: প্লাবনের এই কাঁপন কি আছড়ে পড়বে বাংলাদেশেও? নভেম্বরে শুরু হচ্ছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, প্রথম ধাপে ইউপি ভোট
প্রতিবেদক - ডেস্ক রিপোর্ট | শনিবার, ২০২৪ মে ২৫, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
এমপি আনার হত্যায় জড়িত কসাই জিহাদ ১২ দিনের রিমান্ডে, ঢাকায় তিন আসামির ৮ দিনের রিমান্ড
এমপি আনার হত্যায় জড়িত কসাই জিহাদ ১২ দিনের রিমান্ডে, ঢাকায় তিন আসামির ৮ দিনের রিমান্ড

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকান্ডে অভিযুক্ত জিহাদ হাওলাদারের ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত আদালত। শুক্রবার (২৪ মে) দুপুরের দিকে তাকে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজিএম) বিচারক শুভঙ্কর বিশ্বাসের এজলাসে তোলা হয়। পরে বিচারক ১২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে। এর আগে নৃশংস হত্যার অভিযোগে জিহাদের নামে রাজ্য গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। তাকে ভারতীয় দ-বিধি অনুযায়ী ৩৬৪, ৩০২, ২০১ ও ১২০বি -এ চার ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটিই জামিন-অযোগ্য ধারা। পুলিশের এখন মূল উদ্দেশ্য, মরদেহের অংশ উদ্ধার করা অথবা দেহাংশ সরাতে ব্যবহৃত ট্রলি কোথায়, তা জানা। সে কারণে পুলিশ জিহাদের রিমান্ড চায়।

বৃহস্পতিবার বনগাঁও অঞ্চলের গোপাল নগরে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে ধরা পড়েন জিহাদ হাওলাদার। তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানায় পুলিশ। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযুক্ত জিহাদ বাংলাদেশি এবং একজন দক্ষ কসাই। অবৈধভাবে মুম্বাইয়ে বাস করছিলেন তিনি। জেরায় জানিয়েছেন, তার নাম জিহাদ হাওলাদার, বাবা জয়নাল হাওলাদার খুলনার বাসিন্দা। দুই মাস আগে তাকে কলকাতায় নিয়ে আসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আখতারুজ্জামান শাহীন। জিহাদ জেরায় আরও স্বীকার করেছেন, আখতারুজ্জামানের নির্দেশে কীভাবে তিনিসহ আরও চারজন এমপি আনারকে হত্যা করেন। হত্যার পর তারা ফ্ল্যাটে মরদেহ টুকরো করেন। পরিচয় নষ্ট করার জন্য মরদেহের মাংস পলি প্যাকে রাখেন, হাড় ছোট ছোট টুকরো করেন। তারপর প্যাকেটগুলো ফ্ল্যাট থেকে বের করে নিয়ে কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে ফেলে দেন।

এদিকে আনোয়ারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। শুক্রবার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিলরুবা আফরোজ তিথি রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

 রিমান্ডে যাওয়া তিনজন হলেন সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও সিলিস্তি রহমান।

শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাদের ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটে হাজির করা হয়। এ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। শুনানি শেষে বিচারক তাদের আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদেশ দেন।

গত ২২ মে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে বসবাস করি। গত ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজীম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন। গত ১১ মে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বললে বাবার কথাবার্তা কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই।

গত ১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটসঅ্যাপে একটি ক্ষুদে বার্তা আসে। এতে লেখা ছিল, আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। আমি অমিত সাহার কাজে নিউটাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। আমি পরে ফোন দেব।

এছাড়া আরও কয়েকটি বার্তা আসে। ক্ষুদে বার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনো সন্ধান না পেয়ে তার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বারানগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখি।

পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানতে পারি অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।

মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। প্রয়োজনীয় ঘরগুলো * চিহ্নিত।